Diabetes meaning in Bengali | ডায়াবেটিস কি সহজে জানুন | What Is Diabetics Bangla

diabetes meaning in bengali
বর্তমানে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগটি আমাদের একটি বড় সমস্যার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় এই রোগটি থেকে মুক্তি পাবার জন্য আমাদের Diabetics নিয়ে একটি স্বচ্ছ ধারনা রাখার দরকার রয়েছে । তাই আজ আমি এই আর্টিকেলে আমরা ডায়াবেটিস নিয়ে আলোচনা করব

 

এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আপনি ডায়াবেটিস নিয়ে বিভিন্ন ব্যাপার, যেমন – ডায়াবেটিস কি (What Is Diabetics Bangla), টাইপ ১ ডায়াবেটিস এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস কি, ডায়াবেটিস কেন হয়, ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ, ডায়াবেটিস নির্ণয় পরীক্ষা, ডায়াবেটিস সারানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত

ডায়াবেটিস কি (What Is Diabetics Bangla)

আমরা যখন কার্বোহাইড্রেট বা সাধারণ শর্করা জাতীয় খাবার খাই, তখন তা ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়। এই গ্লুকোজ small intestine বা ক্ষুদ্রান্তের আবরণী দিয়ে শোষিত হয়ে আমাদের রক্তে আসে

 

আমাদের শরীরে এক ধরনের হরমোন রয়েছে যার নাম ইনসুলিন, যার কাজ হল রক্তের গ্লুকোজকে আমাদের দেহের কোষগুলোয় পৌঁছে দেওয়া, কারন সেই গ্লুকোজ ব্যবহার করে আমাদের শরীরের কোষগুলো শক্তি উৎপাদন করে এবং সেই শক্তি দিয়েই আমরা রোজকারের কাজকর্ম করি। সুতরাং যখন এই গ্লুকোজ আমাদের শরীরের কোষে পৌঁছাবে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই আমাদের কাজকর্ম ব্যাহত হবে

 

ইনসুলিন হরমোনের রক্তের শর্করা বা সুগার নিয়ন্ত্রনের অভাব সাধারণত ডায়াবেটিসের কারন

 

ডায়াবেটিস হল এক ধরনের রোগ, যেখানে আমাদের দেহে পরিমান মতো ইনসুলিন তৈরি না হলে বা ঠিকঠাক কাজ না করলে, শরীরের ব্লাড গ্লুকোজ বা blood sugar লেভেল নিয়ন্ত্রণে না থেকে অনেক বেড়ে যায়

ডায়াবেটিসের প্রকার 

ডায়াবেটিস বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে । তবে আমাদের ডায়াবেটিসের প্রকার জানার আগে আমাদের দুটি জিনিসে ফোকাস করা প্রয়োজন – এক, ইনসুলিন পরিমান মতো তৈরি হওয়া না হওয়া এবং দুই,  ইনসুলিন রক্ত থেকে কোষে গ্লুকোজ বয়ে নিয়ে আসা।

 

এখন জেনে নেওয়া যাক ডায়াবেটিসের প্রকারগুলো নিয়ে –

টাইপ ১ ডায়াবেটিস (Type 1 diabetes)

টাইপ ১ ডায়াবেটিসকে সাধারণত juvenile diabetes বা insulin-dependent diabetesও বলা হয়ে থাকে কারন এটি আমাদের immune system এর সাথে সম্পর্কিত

 

এই ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদেরই immune system অগ্ন্যাশয়ের কোষগুলিকে আক্রমণ করে এবং ধ্বংস করে, যেখানে ইনসুলিন তৈরি হয়।

 

ডায়াবেটিসযুক্ত 5-10% লোকের মধ্যে টাইপ ১ ডায়াবেটিস থেকে থাকে।

 

টাইপ 1 ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলি খুব তাড়াতাড়ি প্রকাশ পায়। এটি সাধারণত শিশু, কিশোর এবং কম বয়স্কদের মধ্যে বেশি পাওয়া যায়

 

টাইপ 1 ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রতিদিন বাইরে থেকে ইনসুলিন গ্রহণ করতে হবে

 

এখানে ডায়াবেটিসের কোনও নির্দিষ্ট কারণ নেই, তবে নিম্নলিখিত জিনিসগুলো এটি ট্রিগার করতে পারে -

  • ভাইরাল বা ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ
  • খাবারের মধ্যে রাসায়নিক বিষাক্ত পদার্থ
  • অজানা উপাদান স্ব-ইমিউন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে

টাইপ ২ ডায়াবেটিস (Type 2 diabetes)

টাইপ ২ ডায়াবেটিস তখন হয় যখন আমাদের শরীর যে ইনসুলিন রয়েছে তাকে, রক্ত থেকে কোষে গ্লুকোজ আনতে খুব ভালোভাবে বা কার্যকরী ভাবে ব্যবহার করেনা, ফলে রক্তে থাকা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে থাকে যার ফলে ব্লাড সুগার normal থাকেনা

 

এর ফলে আমাদের কোষে গ্লুকোজ না পৌঁছালে শক্তির জন্য আমাদের দেহকে আমাদের টিস্যু, পেশী এবং অঙ্গগুলির অন্যান্য বিকল্প শক্তির উৎসগুলির উপর নির্ভর করতে হয়। যা বিভিন্ন উপসর্গের কারণ হতে পারে।

 

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রায় 90-95% লোকের টাইপ ২ ডায়াবেটিস থাকে। এটি বহু বছর ধরে আসতে আসতে তৈরি হয়ে থাকে এবং সাধারণত এটি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে নির্ণয় করা হয় ( তবে শিশু, কিশোর এবং কম বয়স্কদের মধ্যে আরও বেশি দেখা যায় )

 

তবে ভালো দিক হল, টাইপ ২ ডায়াবেটিসকে সময়ের সাথে সাথে ভালো অভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা করলে প্রতিরোধ করা যেতে পারে। কিছু জিনিস যেমন ওজন কমানো , স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং energetic হওয়া করলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস সারানো যেতে পারে

গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস (Gestational diabetes)

মহিলারা গর্ভবতী হলে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের বিকাশ ঘটে। যদি কারোর গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকে তবে তার শিশু স্বাস্থ্যের সমস্যার জন্য বেশি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। 

 

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সাধারণত আপনার সন্তানের জন্মের পরে চলে যায় তবে পরবর্তী জীবনে আপনার টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বা সম্ভাবনা বাড়ায়। আপনার বাচ্চা শিশু বা কিশোর বয়সে স্থূল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এবং পরবর্তী জীবনেও টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে

 

অন্যান্য প্রকার

 

এছাড়া আরও অনেক ডায়াবেটিস রয়েছে যা একটু কম প্রচলিত ডায়াবেটিস, যেমন –  monogenic diabetes এবং cystic fibrosis-related diabetes

ডায়াবেটিস কেন হয় বা কারন 

বিভিন্ন কারনে ডায়াবেটিস হতে পারে, যেমন –

  • জিনগত রোগের কারণে কম ইনসুলিন তৈরী হলে
  • ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা কমে গেলে
  • শারীরিক ক্রিয়াকলাপ বা ব্যায়াম না করলে
  • বেশি অতিরিক্ত চাপে থাকার কারণে
  • অতিরিক্ত পরিমাণে ধূমপান করলে
  •  চা, কোল্ড ড্রিঙ্কস এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত পরিমানে গ্রহণ করলে

ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ (Symptoms of Diabetes)

ডায়াবেটিসের লক্ষণ সুগারের মাত্রার উপর অনেকাংশে নির্ভর করে। টাইপ ১ ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো খুব দ্রুত প্রকাশ পায়।

 

টাইপ ১ ডায়াবেটিস এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগের প্রধান তিনটি লক্ষণ হল –

  1. Polyuria (পলিইউরিয়া) – ঘন ঘন প্রস্রাব
  2. Polydipsia(পলিডিপসিয়া) – তৃষ্ণা বৃদ্ধি পাওয়া
  3. Polyphagia (পলিফাগিয়া ) – ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া

 

এছাড়া আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হল –

  • দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া –  রক্তে শর্করার পরিমান মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে গেলে, চোখের লেন্সের ফ্লুইড বা তরল শুকিয়ে যাবে, যা দৃষ্টিশক্তির উপরে প্রভাব ফেলতে পারে।
  • খুব তাড়াতাড়ি ওজন কমে যাওয়া – অস্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাসের ফলে ওজন কমে যেতে পারে। গ্লুকোজ পরিপাক না হলে শরীরের পেশী এবং চর্বি জমা রাখা বিকল্প শক্তি ব্যবহার করে এবং ক্যালরি হিসাবে বাড়তি গ্লুকোজ প্রস্রাবের মধ্যে বেরিয়ে যায়।
  • প্রস্রাবে কিটোনের উপস্থিতি ( (পেশী এবং ফ্যাট বিভাজনের ফলে তৈরি হওয়া একটি উপজাত দ্রব্য হল কিটোন, যার পাওয়ার অর্থ সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন না পাওয়া )
  • দুর্বলতা
  • চামড়ার সংক্রমণ
  • চামড়া লাল লাল ফুসকুড়ি
  • শুষ্ক ত্বক, শুকনো মুখ এবং পা ব্যথাও হতে পারে
  • যে কোনো কাটা বা ক্ষতের নিরাময় খুব ধীরে ধীরে হয়, বা ঘন ঘন সংক্রমণ হয়
  • অপর্যাপ্ত পরিমানে ইনসুলিন আপনার কোষগুলিতে গ্লুকোজ পরিবহন করতে ব্যর্থ হয় যার ফলে পেশী এবং অন্যন্ন অঙ্গগুলি নিত্বেজ হয়ে পরে, যার ফলে খুব দ্রুত খিদে বৃদ্ধি পায়, যাকে পলিফাগিয়া বলে

ডায়াবেটিস নির্ণয় পরীক্ষা (Diagnosis)

ডায়াবেটিস নির্ণয় করার ক্ষেত্রে সাধারণত কিছু পরীক্ষার সাহায্য নেওয়া হয়, তা হল

A1C টেস্ট

A1C পরীক্ষাটি গত দুই থেকে তিন মাস ধরে আপনার গড় ব্লাড সুগার পরিমাপ করে। এইভাবে নির্ণয়ের সুবিধাগুলি হ’ল আপনাকে না খেয়ে থাকতে হবে না

ফল – A1C পরীক্ষায় রেজাল্ট 6.5% এর চেয়ে সমান বা বেশি হলে ডায়াবেটিস ধরা হয়

Fasting Plasma Glucose (FPG)

এই পরীক্ষাটি আপনার খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করে। এই পরীক্ষায় জল ছাড়া কমপক্ষে আট ঘন্টা খাওয়া বা অন্য পানীয় না খেয়ে থাকতে হয়। এই পরীক্ষাটি সকালের নাস্তার আগে সাধারণত প্রথম জিনিস করা হয়।

ফল – Fasting Plasma Glucose পরীক্ষায় রেজাল্ট 126 mg/dl এর চেয়ে সমান বা বেশি হলে ডায়াবেটিস ধরা হয়

Oral Glucose Tolerance Test (OGTT)

ওজিটিটি পরীক্ষায় শর্করা জাতীয় খাবার খাওয়ানর দুই ঘন্টার পরীক্ষা যা আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

ফল – Oral Glucose Tolerance পরীক্ষায় রেজাল্ট 200 mg/dl এর চেয়ে সমান বা বেশি হলে ডায়াবেটিস ধরা হয়

Random Plasma Glucose Test

এই পরীক্ষায় রক্ত পরীক্ষা করে রক্তের সুগার দিনের যে কোনও সময় নির্ণয় করা যায় ।

ফল – Oral Glucose Tolerance পরীক্ষায় রেজাল্ট 200 mg/dl এর চেয়ে সমান বা বেশি হলে ডায়াবেটিস ধরা হয়

জেনে নিন – ডায়াবেটিস কত পয়েন্ট হলে নরমাল 

ডায়াবেটিস সারানোর উপায় বা চিকিৎসা

ডায়াবেটিস রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ইনসুলিন হরমোন। ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য কিছু পদ্ধতি হল –

  • ডায়েট এবং এক্সসারসাইজ 
  • ইনসুলিন ট্রিটমেন্ট 

ইনসুলিন দিয়ে চিকিৎসা  

ডায়াবেটিস রোগের অন্যতম একটি চিকিৎসা হল ইনসুলিন হরমোন। সাধারণত যাদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় না। তাদের ক্ষেত্রে বড় একটি চিকিৎসা ইনসুলিন ইনজেকশন ।

 

ইনসুলিন কতক্ষণ কাজ করবে এবং তার এফেক্ট কতক্ষণ থাকবে তার উপর নির্ভর করে ইনসুলিনকে আবার বিভিন্ন ভাবে ভাগ করা যায়।

 

সাধারণত দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাইপ ১ ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।

পড়ুন – ইনসুলিন কি এবং তার প্রকার 

ডায়েট এবং এক্সসারসাইজ 

জীবনযাত্রা বা লাইফস্টাইল পরিবর্তন করে সাথে ব্যায়াম বা অন্যান্য ধরনের যে কোন শরীরচর্চা করলে আপনি অনেকাংশে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে পারে

প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস চিকিৎসা

প্রাকৃতিক উপায়ে ডায়াবেটিস চিকিৎসার অন্যতম হাতিয়ার হল ব্যায়াম। নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনি ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে পারেন। নিচের কিছু পদ্ধতি আপনি অবলম্বন করতে পারেন

 

টাইপ 2 ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যাক্তি তবে নিয়মিত এক্সারসাইজ করলে রক্তে শর্করার মাত্রা এবং ওজন ঠিক রাখতে সহায়তা করে। এটি ওই ব্যাক্তিকে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে, কার্ডিওভাসকুলার ঝুঁকির কারণগুলি হ্রাস করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের প্রচারে প্রচুর সাহায্য করে ।

সুগার কমানোর ব্যায়াম

১. হাঁটাহাঁটি করা

চলার জন্য আপনার বিশেষ কোনো জিমের জিমের সদস্য হওয়া  বা ব্যয়বহুল অনুশীলনের সরঞ্জাম কেনার প্রয়োজন নেই।

 

আপনার যদি হাঁটার নিরাপদ জায়গা থাকে তবে আপনি আজই শুরু করতে পারেন। আসলে, আপনি সপ্তাহে সর্বনিম্ন পাঁচ দিনের প্রতিদিন ত্রিশ মিনিট হাঁটতেই পারেন

 

2014 এর একটি রিসার্চ অনুযায়ী অনুসারে, হাঁটা টাইপ 2 ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

২. সাইকেল চালানো

টাইপ 2 ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকেরই বাত বা  arthritis হয়। এছাড়া স্থূলতা সহ বেশ কয়েকটি ঝুঁকির কারণও রয়েছে।

 

স্নায়ুর ক্ষতি বা ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি টাইপ ২ আক্রান্ত ব্যক্তিদের জয়েন্টে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

 

সাইকেলিং করলে এই সব কিছু থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়

৩. সাঁতার

একটি 2017 একটি রিসার্চ বলছে ডাঙ্গায় অনুশীলনের মতোই  সাঁতারের মতো অনুশীলন রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস করতে সহায়তা করে

৪. ভার উত্তোলন

ভার উত্তোলন এবং অন্যান্য ভারী ধরনের ব্যায়াম আমাদের পেশী সুগঠিত করতে সহায়তা করে, যেটি ক্যালোরি burn ও বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
 

American Diabetes Association এর মতে জিম ও অন্যান্য ভারী ধরনের ব্যায়াম আমাদের রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ ইম্প্রুভ করতে সাহায্য করে

ডায়াবেটিসে ঝুঁকি কিসে ?

  • ডায়াবেটিস, হার্টের অসুখ এবং স্ট্রোক – ডায়াবেটিস থেকে রক্তের উচ্চ গ্লুকোজ লেভেল  রক্তনালী, স্নায়ু এবং রক্তনালীগুলিকে নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুর ক্ষতি করতে পারে। সময়ের সাথে সাথে, এই ক্ষতির ফলে হৃদরোগ হতে পারেডায়াবেটিসযুক্ত লোকেরা ডায়াবেটিসবিহীন মানুষের তুলনায় অল্প বয়সে হৃদরোগের শিকার হচ্ছেন। ডায়াবেটিসযুক্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ডায়াবেটিসবিহীন প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় হৃদরোগ বা স্ট্রোক হওয়ার প্রায় দ্বিগুণ বেশি।
  • হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা লো- গ্লুকোজ লেভেল – হাইপোগ্লাইসেমিয়া, যাকে লো ব্লাড গ্লুকোজ বা লো ব্লাড সুগারও বলা হয়, ঘটে যখন আপনার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকেরও নিচে নেমে যায়।
  • ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি – ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি হ’ল স্নায়ুজনিত ক্ষতি যা ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হতে পারে। বিভিন্ন ধরণের স্নায়ু ক্ষতির কারণে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়। লক্ষণগুলি সাধারণত পায়ের ব্যথা এবং অসাড়তা থেকে শুরু করে হার্ট এর মতো বিভিন্ন অঙ্গের কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে
  • কিডনির সমস্যা – উচ্চ রক্ত গ্লুকোজ, বা হাই ব্লাড সুগার, কিডনিতে রক্তনালীর ক্ষতি করতে পারে। যখন রক্তনালীগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তখন তারা কাজ করে না। যা আপনার কিডনিকেও ক্ষতি করতে পারে।
  • চোখের সমস্যা – যদি সময়ের সাথে সাথে রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা হাই থাকে, তবে তা চোখের পিছনের ক্ষুদ্র রক্তনালীগুলিকে ক্ষতি করতে পারে। এবং  চোখের ভেতরে বিপজ্জনকভাবে উচ্চ চাপ তৈরি করতে পারে।

  পড়ুন - ডায়াবেটিস কত পয়েন্ট হলে নরমাল